Movie Review: Ghoost Rider (2007) // Bdcommunity :- Movie Review // 30-05-2021

in BDCommunity2 months ago

𝓗𝓮𝓵𝓵𝓸 𝓕𝓻𝓲𝓮𝓷𝓭'𝓼


🆃🅷🅸🆂 🅸🆂 @sagor1233 🅵🆁🅾🅼 🅱🅰🅽🅶🅻🅰🅳🅴🆂🅷.




🧛‍♀️ G҉h҉o҉o҉s҉t҉ R҉i҉d҉e҉r҉ 🧛‍♀️


6936831531_b124f7e3a2_c.jpg
source

ঘোস্ট রাইডার একটি নামকরা ফিকশনাল হরর থ্রিলার মুভি। এটি ২০০৭সালে ১৬ ফেব্রুয়ারিতে ইউএস এ প্রকাশ করা হয়। এই মুভির বেশ জনপ্রিয়তা ও নাম ডাক রয়েছে।



🧛‍♀️ R҉e҉v҉i҉e҉w҉: G҉h҉o҉o҉s҉t҉ R҉i҉d҉e҉r҉🧛‍♀️


4b971c20363dd58a3367d274b0e44e0a.jpg
source

  • ঘোস্ট রাইডার একটি নামকরা ফিকশনাল হরর থ্রিলার মুভি। ফিল্মের প্রথমেই আমরা দুইজন বাইক চালককে দেখতে পাই যারা বিভিন্ন রকমের স্টান্ড করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে এবং তারা দুজন বাবা ও ছেলে। এই বাবা ও ছেলের স্টান্ডগুলো আমার অনেক ভালো লেগেছে। আর ছেলের নাম জনি, তারা দুজনে মারাত্মক বাইক স্টান্ড করে দর্শকদের মজা দিতো।


একদিন স্টান্ড শেষ করে জনি ও তার বাবা একটা জায়গাতে বসে গল্প করছিলো আর সেখানে জনির গার্লফ্রেন্ড রক্সি চলে আসে। আর জনি ও রক্সির সাথে সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে আর জনির বাবা তাকে কিছুই বলে না, যেটা দেখে আমি হতবাক হয়ে যাই। বাবার সামনে ছেলে তার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে কেমন করে চলে যেতে পারে?
একদিন জনি জানতে পারে, তার বাবার চেষ্ট ক্যান্সার হয়েছে, সে খুব মন খারাপ করে আর সেটা দেখে আমার ও মন খারাপ হয়ে যায়। তারকিছু দিন পর একটা শয়তান আসে জনির কাছে তার আত্মার বিনিময়ে তার বাবাকে সুস্থ করে দিবে একটা কন্ট্রাক্ট সাক্ষর করলে এবং জনি সেটা করে দেয়। বাবার জন্যে নিজের আত্মাকে বিসর্জন দেওয়া আমার অনেক ভালো লেগেছে।

কিন্তু তার কিছুদিন পর জনির বাবা স্টান্ড করতে গিয়ে এক্সিডেন্ট হয়ে মারা যায়। এতে জনি খুব কস্ট পায় আর আমারো অনেক খারাপ লাগে। যার বাবা মারা যায় তারাই বুঝে বাবা মারা যাওয়ার কস্ট টা কি!

maxresdefault (1).jpg
source


এরপর অনেক বছর পার হয়ে যায়, আর জনি তখন পুরোপুরি ঘোস্ট রাইডারে পরিণত হয়ে যায়। আর এখান থেকেই মুভির ক্লাইম্যাক্স শুরু হয়। একদিন জনি হঠাৎ করে বুঝতে পারে তার হাত ও গা দিয়ে আগুন বের হচ্ছে। যেটা যেকোনো মানুষের সাথে ঘটলে প্রথমে সে অবাক হবেই। আমাকেও এই দৃশ্যটা অনেক মজা দিয়েছে। তার অনেক কয় দিন পর একটা শয়তান আসে ব্লাক হার্ডকে মারা জন্যে আর জনিকে সেটা করতে বলে।


maxresdefault (2).jpg
source

জনি ও আর ব্লাক হার্ড এর মারামারির দৃশ্যগুলো খুব সুন্দর ছিলো। যদিও বা বাস্তবতার সাথে এর কোনোই মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে যেকোনো মুভি লাভারকে পাগল করে দিতে সক্ষম। এর পর জনিকে বোকা বানিয়ে ব্লাক হার্ড সেখান থেকে পালিয়ে যায়।


এর মধ্যে আবারো অনেক বছর কেটে যায় আর জনি বিশ্বের সেরা বাইক স্টান্ড ম্যান হয়ে যায়। এর কারণ হচ্ছে তার মধ্যে কোনো আত্মা নেই। তাই সে এখন কোনো কিছুকে ভয় পায়। এর মাঝে একদিন জনির সাথে রক্সির দেখা হয় আর সেই দৃশ্যটা খুব সুন্দর ছিলো। কারণ কোনো প্রেমিক আর প্রেমিকার বহুদিন পর দেখা হলে যে ফিলিংসটা পাওয়া যায়, ঠিক সেই রকম অনুভূতি খেলে গেছে আমার মাঝেও। যদিও আমি সিঙ্গেল। আমার মতো সিঙ্গেলরা এসব মুভি দেখেই শুধু ফিলিংস নেয়।


এভাবে কিছু দিন যাওয়ার পর এবার মুভির শেষ দৃশ্যে যখন ব্লাক হার্ড নায়িকাকে তুলে নিয়ে যায়। তাকে বাচানোর জন্যে জনি সবকিছু করতে পারে। এটাই আমার সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে। কারণ, ভালোবাসার মানুষের জন্যে জীবন বাজী রাখতেও দ্বিধা করে নি জনি। যেটা একজন ভালো মানুষের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।


images.jfif
source

তারপর ব্লাক হার্ডের মাঝে যখন অনেক গুলো ভুত ভর করে, তখন আমার সেই হাসি পেয়েছে। কেননা বাস্তব জীবনে ভূত বলতে কোনো কিছুই নেই। আবার জনি নাকি রাত ছাড়া ঘোস্ট রাইডার হতে পারে না। তাহলে মুভির শেষ দৃশ্যে এসে দিনের বেলায় ছায়াতে কিভাবে ঘোস্ট হয় তা আমি বুঝতে পারি নি আর হয়তো এটাই এই মুভির সব থেকে বড় মিস্টেক। আর শেষ দৃশ্যটাও অন্যান্য মুভির মতোই শয়তানকে মেরেই শেষ হয়। যেটা আমাকে আর বিশেষভাবে আকর্ষন করে নি।



  • Ghoost Rider (2007)

Movie NameGhoost Rider (2007)
Initial release:February 16, 2007 (USA)
Director:Mark Steven Johnson
Film series:Ghost Rider
Box office:228.7 million USD



আশা করি, আমার এই মুভি রিভিউটা আপনাদের ভালো লেগেছে।



Best Regards:-
@sagor1233